চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যান ইউ-কে রুখে দিল সেভিয়া

অনরা্দাভিদ হিয়ার অসাম্য দক্ষতায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে সেভিয়ারের মাঠে ড্র করল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড৷ গোলশূন্য ভাবে শেষ হয় সেভিয়া ও ম্যান ইউ-র লড়াই৷

অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখার পাশাপাশি আক্রমণে প্রথমার্ধে হোসে মরিনহোর দলকে টেক্কা দিয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি৷ কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি৷ বিরতির আগে দারুণ দুটি সুযোগ পায় সেভিয়া৷ গোলরক্ষক দাভিদ হিয়ার নৈপুণ্যে ইউনাইটেডের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন সেভিয়ার ফুটবলাররা৷ দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কয়েকবার সুযোগ নষ্ট করে স্পেনের সবচেয়ে পুরনো ক্লাবটি৷ ম্যাচের ৭৩ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সেভিয়ার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পাবলো সারাবিয়া৷

আর পল পোগবাকে ছাড়ায় এদিন মাঠে নামা রেড ডেভিলস অ্যাওয়ে ম্যাচ ড্র করলেও সেভিয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি৷ অ্যাওয়ে ম্যাচে রক্ষণাত্মক নীতি নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন ম্যান ইউ কোচ মরিনহো৷ আগামী ১৩ মার্চ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ফিরতি লেগে সেভিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড।

বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় অন্য ম্যাচে ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমার বিরুদ্ধে প্রথম লেগে জয় ছিনিয়ে নিল শাখতার ডোনেৎস্ক৷ ঘরের মাঠে প্রথমে গোল হজম করেও ২-১ ম্যাচ জিতে নেয় তারা।

প্রতিপক্ষের মাঠে ৪১ মিনিটে তুর্কি মিডফিল্ডার উন্দারের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে সমতায় ফেরে শাখতার৷ দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে শাখতারের হয়ে গোল করেন আর্জেন্তাইন ফরোয়ার্ড ফেরেইরা। ৭১ মিনিটে ২২ গজ দূর থেকে ফ্রি-কিকে জয়সূচক গোলটি করেন শাখতারের ব্রাজিলীয় মিডফিল্ডার ফ্রেদ। ১৩ মার্চ রোমার মাঠে ফিরতি লেগে নামবে ইউক্রেনের ক্লাবটি৷দক্ষিণ আফ্রিকাকে সমতায় ফেরালেন ক্লাসেন-দুমিনি

অনলাইন ডেস্ক: রোহিতকে ফেরান জুনিয়র ডালাপ্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারলেও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে স্বরূপে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৮ বল হাতে রেখে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক প্রোটিয়ারা। এই জয়ে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে জেপি দুমিনির দল।

বৃষ্টি ভাবনাতেই টসে জিতে শুরুতে ফিল্ডিং নেয় প্রোটিয়ারা। একই সঙ্গে একাদশে ছিল না কোনও পরিবর্তন। তাই আগের ম্যাচ হেরে যাওয়ায় এই ম্যাচে আরও আগ্রাসী ছিল স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও কিছুক্ষণ মাটি আঁকড়ে জবাব দিয়েছেন দুই তারকা হেনরিক ক্লাসেন ও জেপি দুমিনি। এ দুজনের ঝড়ো ইনিংসেই ১৮.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

 

 

 

 

ক্লাসেন ৬৯ রানে ফিরলেও তার ঝড়ো ইনিংসেই দাঁড়িয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্লাসেনের ৩০ বলের ঝড়ো ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৭টি ছয়। এই ঝড়ো ইনিংসেই বিমর্ষ হয়ে পড়েছিল ভারতীয় শিবির। উনাদকাট তাকে ধোনির তালুবন্দি করিয়ে স্বস্তি ফেরালেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেই মুহূর্ত। শেষ দিকে ঝড় অব্যাহত রেখেছিলেন দায়িত্ব প্রাপ্ত দুমিনি। ৪০ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। পর পর দুই বলে ছক্কা মেরে নিশ্চিত করেন দলের জয়। দুমিনির ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়। তার সঙ্গে ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ফারহান বেহারদিয়েন।

ভারতের পক্ষে উনাদকাট সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের শুরুটা তেমন দারুণ ছিল না। দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ১ রানে জুনিয়র ডালার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পা দিয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। ওপেনার ধাওয়ান ও সুরেশ রায়নাও ফিরেছেন দ্রুত রান করে। ধাওয়ান ২৪ রানে আর রায়না ফেরেন ৩১ রানে। রায়না ফেরার আগে অধিনায়ক কোহলি ১ রানে ফিরলে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল ভারত। যদিও শেষ দিকে টি-টোয়েন্টির ঝাঁঝটা টের পাইয়ে দিয়েছেন মনিশ পান্ডে ও অভিজ্ঞ মহেন্দ্র সিং ধোনি। এই দুই তারকার শেষের ঝড়েই ১৮৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। পান্ডে ৪৮ বলে অপরাজিত ছিলেন ৭৯ রানে। তার দানবীয় ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছয়।

অপর দিকে ২৮ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন ধোনি। সাবেক অধিনায়কের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়।
প্রোটিয়াদের পক্ষে দুটি উইকেট নেন জুনিয়র ডালা। ম্যাচসেরা হন ঝড়ো ইনিংস খেলা ক্লাসেন।