Sunday, Nov 05 2017

জীবননাশের আশংকায় পদত্যাগ করেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি।  শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে তাকে হত্যার জন্য ইরান ও হিজবুল্লাহ পরিকল্পনা করেছে

Sunday, Nov 05 2017

 সৌদি আরবে নবগঠিত একটি দুর্নীতি দমন কমিটি দেশটির ১১ প্রিন্সসহ বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাব্কে মন্ত্রীকে আটক করেছে।

Sunday, Nov 05 2017

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:সৌদি আরবে দুর্নীতির অভিযোগে ১১ জন রাজপুত্র, ৪ জন বর্তমান মন্ত্রী এবং কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীকে আটক করেছে দেশটির নবগঠিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযান কমিটি।

Saturday, Nov 04 2017

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর প্রস্তাবিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে তা দেশটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে খারাপ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। গতকাল শুক্রবার এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির মুখপাত্র। তিনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলে জেনারেলদের সঙ্গে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের ক্ষমতা ভাগাভাগি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্ষতির মুখে পড়বে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য।

 

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে আইনপ্রণেতারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবসংবলিত একটি বিল উত্থাপন করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘ ও প্রথম এশিয়া সফর শুরুর আগের দিন কংগ্রেস এই পদক্ষেপ নিল। এটিকে রোহিঙ্গা সংকটে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপের একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

মার্কিন সিনেটের কয়েকজন সদস্যের উত্থাপিত এই বিল পাস হলে গত বছর মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেওয়া কিছু নিষেধাজ্ঞা আবার ফিরিয়ে আনা হতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সেগুলো প্রত্যাহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া বিল পাস হলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেওয়া মার্কিন সহায়তাও বন্ধ হয়ে যাবে, যতক্ষণ রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন-নিপীড়নে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার না হবে।

 

ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় অং সান সু চির মুখপাত্র জ হতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, মিয়ানমারের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা দরকার। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে তা এ দেশের জনগণের ভ্রমণ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিনিয়োগে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া আরও অনেক খারাপ পরিণতি বয়ে আনতে পারে।

 

সু চির মুখপাত্র আরও বলেন, মিয়ানমারে ১৫ নভেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের আসার কথা। ওই সময় রাখাইন নিয়ে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরা হবে। তবে এখনো মিয়ানমার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কী, সেটা তাঁরা জানেন না।

 

মুখপাত্র বলেন, রাখাইন নিয়ে যে পদক্ষেপই মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সরকার গ্রহণ করুক তাতে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, এ দেশের পুনর্গঠন কাজ সু চি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সেনাবাহিনীকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে তা খুব পরিষ্কার। ২০০৮ সালের সংবিধানের অধীন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা করেই সব করা হচ্ছে। এ অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটাবে। যুক্তরাষ্ট্র যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তবে তা ইতিবাচক ফল আনবে না; যেটা অতীত অভিজ্ঞতায়ও দেখা গেছে। নিষেধাজ্ঞা নিশ্চিতভাবে সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন ব্যবসা-বিনিয়োগই শুধু নয়, সব বিনিয়োগই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

 

এদিকে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব নিয়ে বিলটি উত্থাপনকারী আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন সিনেটের আর্মড সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককেইন ও সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য বেন কার্ডিন।

 

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদেও অনুরূপ একটি বিল আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সিনেটে বিল উত্থাপন-পরবর্তী আলোচনায় আইনপ্রণেতারা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার জবাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাপ দেন।

 

গত ২৫ আগস্টের পর রাখাইনে হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে।

 

 মিয়ানমারকে আইসিসিতে পাঠানো হোক: এইচআরডব্লিউ

 

রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নিষ্ঠুরতার তদন্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সম্মুখীন করার পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

 

নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি গতকাল এ আহ্বান জানিয়ে আরও বলেছে, মিয়ানমারকে যাতে আইসিসি ও অন্যান্য আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায়, সে লক্ষ্যে জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর উচিত দেশটির ফৌজদারি অপরাধ-সংক্রান্ত প্রমাণাদি জোগাড়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া।

 

 রাষ্ট্রহীন মানুষ নাগরিকত্বের অধিকার রাখে: ইউএনএইচসিআর

 

বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ কোটি মানুষ রাষ্ট্রহীন অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছে বলে গতকাল জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটি বলেছে, এসব শরণার্থীর মধ্যে ৩০ লাখ লোকের এই অবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রহীন সংখ্যালঘু গোষ্ঠী।

 

‘দিস ইজ আওয়ার হোম-স্টেটলেস মাইনরিটিজ অ্যান্ড দেয়ার সার্চ ফর সিটিজেনশিপ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইউএনএইচসিআর বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে ২০২৪ সালের মধ্যে এসব মানুষের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ দূর করে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

 

এদিকে বাসস জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার জন্য রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ইউএনএইচসিআরের কমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি। তিনি বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফেরার জন্য নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশে যে মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে, তার রাজনৈতিক সমাধানের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

 

ঢাকায় পাওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Friday, Nov 03 2017

 সিরিয়া যুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিয়েছে এবং তারা সেখানে পরাজিত হয়েছে। পরাজিত হলেও এই জোট এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তেহরান সফররত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এসব কথা বলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।
পুতিনকে ইরানের এই নেতা বলেন, সিরিয়া ইস্যুতে ইরান ও রাশিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতার কারণে বৈরী পরিবেশেও তেহরান এবং মস্কো তাদের লক্ষ্য অর্জন করছে। এ সময় রুশ প্রেসিডেন্ট তেহরানের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক জোরদার করার প্রস্তাব দেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পুতিনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। খামেনি বলেন, গত কয়েক বছরের কার্যকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা সম্পর্ক আরও গভীর করতে পারে।
আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, সিরিয়ায় সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখায় পশ্চিম এশিয়ায় রাশিয়ার প্রভাব বেড়েছে। সিরিয়া ইস্যুতে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হয়েছে তা অব্যাহত রাখার কথা বলেন তিনি।
সিরিয়ার জনগণই সে দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; অন্য কেউ নয়। সিরিয়া সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে বিদেশি কোনো শক্তি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করাতে পারবে না।
ইয়েমেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে খামেনি বলেন, সৌদি আরব ইয়েমেনে প্রত্যেকদিন অপরাধ করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সৌদি আরবের এই বর্বরতা রিয়াদকে ভিন্ন কোনো সঙ্কটে ফেলবে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ইরান ও রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডলারের পরিবর্তে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহার করতে পারে। দু’দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানের চেয়ে আরো অনেক বেশি বাড়ানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ইরানকে কৌশলগত মিত্র ও মহান প্রতিবেশী বলে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যেকোনো ক্ষেত্রে সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়টিকে তিনি স্বাগত জানাবেন। পুতিন বলেন, ইরান ও রাশিয়া জ্বালানি, আধুনিক প্রযুক্তি, কৃষি এবং যৌথ তেল-গ্যাস ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার করতে পারে। পার্স ট্যুডে।

Thursday, Nov 02 2017

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে এ প্রথমবারের মতো রাখাইন অঞ্চল সফরে গেছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। তবে রাখাইন সফরে যাওয়ার আগে তিনি কোন ঘোষণা দেননি।
সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সু চি তাঁর একদিনের সফরে রাখাইনের দুটি শহর পরিদর্শন করবেন।
বিবিসি এক খবরে জানায়, রাখাইনের যে এলাকা থেকে বেশিরভাগ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে, সু চি সেরকম একটি এলাকা সফর করবেন।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে কোন অবস্থান না নেওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে এরই মধ্যে বেশ সমালোচিত হয়েছেন তিনি।
সরকারের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, সু চি বর্তমানে রাখাইনের সিটুয়ে-তে অবস্থান করছেন। এরপর তিনি মংডু এবং বুথিডং এলাকা সফর করবেন। এ দুটো এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখান থেকে হাজার-হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে।
তবে সু চি'র সফর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে চায়নি তাঁর দপ্তর।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেনাবাহিনীর দিক থেকে হুমকি আসতে পারে, এমন আশংকায় সু চি তাদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে চান না।
গত বুধবার সু চি'র একজন মুখপাত্র অভিযোগ করেছেন, রাখাইন প্রদেশ থেকে যে লক্ষ লক্ষ মুসলিম গত দুমাসে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে গেছেন, তাদের প্রত্যাবাসনের কাজে বাংলাদেশের জন্যই দেরি হচ্ছে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সারা বিশ্ব থেকে যে বিপুল পরিমাণ ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে, সে জন্যই তাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ ঢিলেমি করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Page 7 of 20

যারা অনলাইনে আছেন

We have 368 guests and 50 members online

  • transipertderi
  • gretjecsiobarbio
  • zanmawindfite
  • windmejibinnu
  • nozzpupandeker
  • utjuiphodifse
  • ionivynic
  • lawannakeister434
  • gottropheragedah
  • riksriphocrerumar
  • presfimemedreta
  • alanwaterman0117540
  • basteofimasice
  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • vqysteve964495055
  • kelleya28686496
  • melaniecasper014440
  • beatricedavitt95
  • alphonsoflaherty941
  • michelllyne22111692
  • 9ao91lonfhzlzke
  • d4nuwseqsqrdusm
  • s1dowcdzqhdf
  • htrjov5ed0880
  • m3gy04k7gbwyzl
  • m17dch4agcbwht
  • swm6bb1inrlyi2k
  • 14foqcwct3s37f
  • 8254tocoaiccoi

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %