Friday, Sep 22 2017

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘উন্মাদ’ ও ‘ভীমরতিগ্রস্ত বুড়ো’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘে দেয়া বক্তব্যের জন্য তাকে অত্যন্ত চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

 

তিনি বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে তিনি বুঝতে পেরেছেন যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অধিকার রয়েছে।

শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ প্রচারিত এক বিরল বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন কিম।

গত মঙ্গলবার জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন- যদি যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে রক্ষায় বাধ্য হয়, তাহলে উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়া হবে।

এ ছাড়া কিম জং উনকে ব্যঙ্গ করে 'রকেটমানব' আখ্যা দিয়ে তিনি আত্মঘাতী মিশনের মধ্যে আছেন বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে বুধবার নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইংগ-হো সাংবাদিকদের কাছে করা মন্তব্যে ট্রাম্পের বক্তব্যকে 'কুকুরের ঘেউ ঘেউ' আখ্যা দেন।
 
এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দেন। তবে কোন ধরনের প্রতিশোধ নেয়া হবে তার জবাবে তিনি বলেন, আমরা জানি আমাদের নেতা কিম জং উন কোন ধরনের প্রতিশোধ নেয়ার আদেশ দেন।

শুক্রবার সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ প্রকাশিত ইংরেজি বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্যের কারণে ভীতসন্ত্রস্ত বা স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে আমি এই উপলব্ধিতে উপনীত হয়েছি যে, পথ আমি বেছে নিয়েছি তা সঠিক এবং শেষ পর্যন্ত আমাকে এই পথই অনুসরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, এখন ট্রাম্প আমাদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে এবং আমার ও আমার দেশকে বিদ্রূপ করে প্রকাশ্যে বিশ্ববাসীর সামনে ইতিহাসের সবচেয়ে হিংস্র যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জন্য যাতে সর্বোচ্চ মূল্য দিতে হয় তার জন্য উত্তর কোরিয়া সর্বোচ্চ কঠোর পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করবে বলেও বিবৃতিতে জানান কিম জং উন।

নিশ্চিতভাবে এবং অবশ্যই উন্মাদ ভীমরতিগ্রস্ত মার্কিন বুড়োকে (ট্রাম্প) আগুনের মাধ্যমে বশ মানানো হবে বলে বিবৃতির ইতি টানেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা।

Friday, Sep 22 2017

 

আন্তর্জাতিক গণআদালতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি এবং দেশটির সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
 
শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত আট সদস্যের বিচারক প্যানেলে এ রায় দেন।
 
আর এ রায়ের মধ্য দিয়ে গণআদালতে সুচিই প্রথম কোনো নোবেলজয়ী, যিনি ব্যতিক্রমী এ আদালতে বিচারের সম্মুখীন ও দোষী সাব্যস্ত হলেন।
 
১৮ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পার্মানেন্ট পিপলস ট্রাইব্যুনাল (পিপিটি) নামে ওই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। শুনানিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল অংশ নেয়।
 
গণআদালতের এ রায় জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও গোষ্ঠীর কাছে পাঠানো হবে।
 
শুনানিতে রোহিঙ্গা ও কাচিন সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় অপরাধের বর্ণনা দেন।
 
আদালতে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ মাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোসাইড স্ট্যাডিজ অ্যান্ড প্রিভেনশনের গবেষক অধ্যাপক গ্রেগরি স্ট্যানটনও জবানবন্দি দিয়েছেন।
 
তিনি বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী, পুলিশ, অন্যান্য বৌদ্ধ মিলিশিয়া এবং দেশটির বর্তমান বেসামরিক সরকার অভিযুক্ত।
 
রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা মিয়ানমারের সর্বস্তরে বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার।
 
শুনানিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকও অংশ নেন।
 
ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমারে মুসলিম নিপীড়ন বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সমাপনী বক্তব্য শেষে বিবাদী পক্ষ বক্তব্য রাখেন। আর বৃহস্পতিবার দিনভর বিচারকমণ্ডলীর সদস্যরা তাদের বক্তব্য পেশ করেন।
 
পিপিটি মালয়েশীয় শাখার সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি চন্দ্র মোজাফফর বলেছেন, পাঁচ দিনের অধিবেশনে বিচারকরা প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক, বিশেষজ্ঞ সাক্ষীদের মতামত, ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি বিচার বিশ্লেষণ করে এ রায় দেন।
Friday, Sep 22 2017
 

 

 ভারত সরকার আরো একবার জানিয়ে দিযেছে, ভারতে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলিমরা শরণার্থী নয়, তারা বেআইনি অনুপ্রবেশকারী। আজ বৃহষ্পতিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এক সভায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেছেন, মিয়ানমার সরকার এদের ফেরত নিতে প্রস্তুত। তাই এদের  প্রত্যর্পণ নিয়ে এত হইচই অর্থহীন। এদিন অবশ্য রাজনাথ বলেছেন, মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা শরণার্থী নয়, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এ দেশে আসেনি তারা, আশ্রয়ও চায়নি। তাই তাদের এ দেশে রাখা চলবে না। ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অবশ্য রোহিঙ্গা প্রত্যর্পণের বিরোধিতা করে কেন্দ্রকে নোটিশ জারি করেছে। সোমবারই কেন্দ্রীয় সরকার  সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে পাকিস্তানের জঙ্গি যোগ রয়েছে। এ নিয়ে বিচারপতিদের তারা গোপনে গোয়েন্দা রিপোর্ট দেখাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লিখিতভাবে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছে, বেআইনিভাবে এ দেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নিরাপত্তার দিক দিয়ে কতটা সঠিক। এদিন রাজনাথ আরও বলেছেন,  জাতিসংঘের রিফিউজিস কনভেনশন ১৯৫১ প্রটোকলে স্বাক্ষর করেনি ভারত। তাই রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণ করে আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের প্রশ্ন ওঠে না।  ভারত সরকারে মতে,  এই রোহিঙ্গারা ৪-৫ বছর আগে বেআইনিভাবে ভারতে  প্রবেশ করতে করে, তখনও মিয়ানমারে রোহিঙ্গা বিতাড়ন শুরু হয়নি। এখন তাদের সঙ্গে আইএসআইএস সহ অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগসাজসের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে দেশে সাম্প্রদায়িক ও জাতি দাঙ্গা শুরু হতে পারে। এদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ভারত সরকারের সিদ্ধান্তকে  চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে রাজ্যের কমিশন জানিযেছে, রোহিঙ্গা শিশু ও নাবালক-নাবালিকাদের জোর করে ফেরত পাঠানো মানে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা। রাজ্য কমিশনের আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি, নাবালক বিচার আইনে বলা হয়েছে, কোনো শিশু বা নাবালক অনুপ্রবেশকারী এ দেশে ধরা পড়লে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেটা নাবালক বিচার বোর্ড ঠিক করবে। কেন্দ্রের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার নেই। তা ছাড়া, দেশের আইন অনুযায়ী কোনও শিশুর ছ’বছর বয়স পর্যন্ত তার সঙ্গে মাকে থাকতে দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে ২৪ জন শিশু, ও নাবালিকা বিভিন্ন হোমে রযেছে।

Friday, Sep 22 2017
 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রা¤প তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নির্যাতন বন্ধের উপায় খুঁজে বের করতে বলেছেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস। বৃহ¯পতিবার নিউ ইয়র্কে নিকি হ্যালি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার নিয়ে খুবই চিন্তিত ডনাল্ড ট্রা¤প। মিয়ানমারের কর্মকরতাদের কে থামাতে পারবে, সবাই এটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত প্রায় (৪ লাখ ২০ হাজার মানুষ) বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে যে নির্যাতন ও শোচনীয় ঘটনা ঘটেছে তা আমাদের সবার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, রাখাইনের পুলিশ পোস্টে ২৫শে আগস্ট হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। ওই হামলার জবাবে অঞ্চলটিতে সামরিক অভিযান চালানো শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এসব অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরা এই অভিযানকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে  এ নির্যাতনের বিরুদ্ধে জোর দিয়ে কথা না বলার জন্যে সমালোচনার শিকার হয়েছে ট্রা¤প প্রশাসন। হ্যালি জানিয়েছেন, ডনাল্ড ট্রা¤েপর উদ্বেগের কথা জানাতে মিয়ানমারের কার্যত নেত্রি অং সান সুচির সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। হ্যালি জানান, সুচি বলেছেন যে, জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফের চেয়ারম্যান মেরিন জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড দেশটির সামরিক নেতাদেরকে এই নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়েছন। বুধবার এ নির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে শক্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

Friday, Sep 22 2017

রহস্যময়ী এই নারীর পর্দার আড়ালে নাকি অনেক ক্ষমতা। দাবি করেছেন, ক্ষমতাধর দুটি দেশের প্রভাবশালী দুই প্রেসিডেন্টের স্ত্রী তিনি। পয়সাকড়ির অভাব নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার দাবিও করেন তিনি। বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত এই নারীর মুখোমুখি হতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। 

মার্কিন দৈনিকের হাতে থাকা অসংখ্য অভিযোগের প্রমাণ উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে কথা বলবেন বললেও শেষমেশ তা আর হয়নি। তবে মঙ্গলবার এই নারীকে নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

মাদাম জিজেল ইয়াজ্জি বলে তিনি পরিচিত। তাঁর আরও অনেক নাম রয়েছে। এসব নাম তিনি বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বের অনেক দেশেই বাড়ি ও সম্পদ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও মেরিল্যান্ডেও আছে আলিশান বাড়ি। ৫০ বছর বয়সী এক নারীর দাবি করেছেন, তিনি দুটি দেশের দুই বিখ্যাত প্রেসিডেন্টের স্ত্রী! কিন্তু তাঁদের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছে গোপনে। প্রভাবশালী হওয়ায় প্রেসিডেন্ট স্বামীদের ইচ্ছায় তিনি বিয়ের তথ্য চাপা রেখেছেন।

জিজেল ইয়াজ্জির দাবি, মিসরের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি তাঁর স্বামী! তবে এ খবর আর কেউ জানেন না। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সিসির ফোনালাপ করিয়ে দিয়েছেন তিনিই। ট্রাম্পের সঙ্গে সিসির সুসম্পর্কের কারণও নাকি তিনি!

জিজেল দৃঢ় গলায় দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ তাঁর স্বামী ছিলেন! কিন্তু এর কোনো প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্যেও নাকি তাঁর হাত রয়েছে। ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট জন কুফুয়োরের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁর। এ নিয়ে ঘানার বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ব্লগে লেখালেখি হয়েছিল।

তবে হুগো চাভেজ ও সিসির সঙ্গে কবে তাঁর বিয়ে হয়েছে, তা জিজেল জানাননি।

জিজেল দাবি করেন, তাঁর জন্ম লেবাননে। তিনি বেড়ে উঠেছেন বিভিন্ন দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, কিউবায় তাঁর অবাধ চলাচল। কলম্বিয়ার সামরিক বাহিনীকে অস্ত্র দিতে চেয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চুক্তি বাতিল হয়।

বিভিন্ন দাবি নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে চটকদার এক দাবি করেছেন জেজেল। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। ইভানকার কাছে নাকি তাঁর মর্যাদা অনেকটা মায়ের মতোই। শুধু তা-ই নয়, হোয়াইট হাউসে তাঁর বসারও ব্যবস্থা আছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, জিজেল নামে হোয়াইট হাউসে কেউ কাজ করেন না। জিজেলের অর্থ-সম্পদ নিয়ে তাঁর প্রতিবেশীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন রয়েছে।

জিজেলের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অ্যাটর্নির কার্যালয়। ব্যক্তিগত জেট বিমানে চলাচল করা এই নারীর তথ্যগুলো কতটা সঠিক, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

কে এই মাদাম জিজেল
তাঁর বাড়ির নম্বর ৭১৩-ওয়াশিংটন ছাড়িয়ে মেরিল্যান্ডের চেভি চেজের অভিজাত বহুতল ভবনে। ওটাই জিজেলের ঠিকানা! ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীকে টি-শার্ট বিক্রির বুদ্ধি দুই ব্যক্তিকেই বাতলে দিয়েছিলেন জিজেল! এ থেকে হাতিয়ে নেন কাড়ি কাড়ি ডলার। বব আন্ডারউড আর সাদি, দুই পড়শি পরস্পরকে চিনতেনও না। মাদাম জিজেলের (এই নামে ডাকতেন তাকে) সূত্রেই জানতে পারেন, কী ভাবে প্রতারিত হয়েছেন তারা।

পরিবারের কাছেও জিজেল এক আতঙ্কের নাম। সন্তানেরা তার থেকে দূরে থাকতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।

মেরিল্যান্ডের ওই ভবনে কখনো লবি, কখনো লিফটে ‘রূপের’ ছটায় জিজেল আলাপ জমাতেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে। ৫৩ বছরের ববের ৭ বছরের কন্যার সঙ্গে ভাব জমিয়ে ২০১৫ সালের শুরুর দিকে মাদাম জিজেল ঢুকে পড়েন আন্ডারউড পরিবারে। ববকে বলেছিলেন, জন্ম লেবাননে। ঘুরেছেন সারা বিশ্ব। মাসে আয় রোজগার ২১ লাখ ডলার! সন্তানদের কাছ থেকে দূরে থাকতে তার কষ্ট হয়। ববের মেয়েকে তাই তার এত পছন্দ!

হুগো চাভেজের সঙ্গে বিয়ের গল্পটা শুনেছিলেন বব-ই। অসুস্থ চাভেজের সঙ্গে কী ভাবে জিজেল কিউবায় যান, সেখানকার চিকিৎসকেরা কী বললেন, সেই গল্পও তিনি বলেন। তার বাকপটুতায় মুগ্ধ হয়ে অনেকে তাঁকে বিশ্বাস করতেন। বিবাহবিচ্ছেদের পরে সংসারে টানাটানি চলছিল ববের। টি শার্ট বিক্রি করে লাভের গল্প তখনই সামনে এল। ২০১৫-র শেষ দিকে রাজি হলেন বব। দিনে দিনে পুঁজির চাহিদা তুঙ্গে উঠল। গুনে গেঁথে বব দেখছেন, ৫০ হাজার ডলারেরও বেশি বেরিয়ে গেছে তার। এরপর এ বছর জুনে বব দেখা পান সাদি’র। বৃত্ত পূর্ণ হয় তখনই।

সাদিও স্বপ্ন দেখতেন, বড় বাড়ি, পিএইচডি ডিগ্রির। টি-শার্ট বেচার গল্প শুনে বিনা কাগজে পাঁচ হাজার ডলার জিজেলকে দেন। পরে সাদি গুগলে জানতে পারেন, মাদাম জিজেল আসলে কে। কলম্বিয়ায় বেশ পরিচিত একটা নাম জিজেল। ওখানেই প্রতারণায় হাত পাকে মাদামের। কারাবাসও হয়েছিল। আদালতের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসেন। কলম্বিয়ায় আর ফেরেননি। সে দেশ তাকে চেনে ‘বিখ্যাত ফেরারি’ হিসেবে। সূত্র: জি নিউজ ও ওয়াশিংটন পোস্ট।

Friday, Sep 22 2017

 

রোহিঙ্গা প্রশ্নে কোনও আপসে রাজি নয় কেন্দ্র। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বা পশ্চিমবঙ্গ সরকার রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সাফ জানিয়েছেন, রোহিঙ্গারা শরণার্থী নন। তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। অনুপ্রবেশকারীর কোনও অধিকার থাকে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সম্পর্ক থাকায় তাঁরা এ দেশের জন্যও বিপজ্জনক। রাজনাথের কথা থেকে স্পষ্ট, রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদী সরকার। রোহিঙ্গাদের প্রশ্নে এই প্রথম বিস্তারিত ভাবে মুখ খুললেন রাজনাথ। সে জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত একটি সম্মেলনের মঞ্চকেই বেছে নেন তিনি। রাজনাথের দাবি, সম্প্রতি মায়ানমারের নেত্রী আউং সান সু চি রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর কথা বলেছেন। গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছিল রোহিঙ্গারা এ দেশে অনুপ্রবেশকারী। সেই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশন। আজ শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে এই আর্জিটির কথা উল্লেখ করা হয়। মামলার গতিপ্রকৃতি বুঝতে দিল্লিতে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী। শিশু কমিশন আর্জিতে জানিয়েছে, রোহিঙ্গা শিশু ও নাবালক-নাবালিকাদের জোর করে ফেরত পাঠানো মানে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ৩ অক্টোবর এই মামলার শুনানি হবে। আজ মানবাধিকার সংক্রান্ত সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রাজনাথ বলেন, ‘‘অনেকেই অন্য দেশের বাসিন্দাদের মানবাধিকার নিয়ে বেশি চিন্তিত। অবৈধ ভাবে যাঁরা ভারতে ঢুকেছেন তাঁদের অধিকারের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সবার আগে ভারতবাসীর মানবাধিকারকে সুরক্ষিত করতে হবে।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালার  বক্তব্য, ‘‘রোহিঙ্গাদের আইএস যোগ নিয়ে তথ্য থাকলে তা প্রকাশ করা উচিত। কারণ তা হলে ফেরত পাঠানো যথেষ্ট নয়। তবে প্রমাণ ছাড়া কারও বিরুদ্ধে আঙুল তোলা ঠিক নয়।’’

Page 17 of 20

যারা অনলাইনে আছেন

We have 289 guests and 42 members online

  • supphandchampeto
  • southbolswimbpilo
  • orsahalbaanabqui
  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • carssimgoohinpoyri
  • leigranesphiconho
  • deand042013556332650
  • rooseveltceja6122777
  • amandahess52806
  • leifreece77372663
  • magdalenareddick0818
  • 4y4uhuooswc3
  • kiaramacklin4014
  • j0s90jyfea5p9tu
  • k7k7pilclcdkp
  • sjxuokueriyhvg5
  • l4jptmndwbjxog
  • r65i5i42ai9
  • yi30o3go3vx3m35
  • xkepngb49coq6kb
  • xft96vqes5dqrl
  • w10619weu9xmgk

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %