Sunday, Sep 24 2017

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি। ছবি: রয়টার্সজাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, শরণার্থীদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষ যে মমত্ববোধ দেখিয়েছে, তা তিনি তাঁর কর্মজীবনে কখনো দেখেননি। 

আজ রোববার দুপুরে কক্সবাজারে ইউএনএইচসিআর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, ‘জাতিসংঘের অধিবেশন সমাপ্ত না করেই আমি বাংলাদেশে চলে এসেছি। আমি সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী ছিলাম। তাঁর সঙ্গে দেখা করেছি। আমি আবারও বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেওয়ার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ, এবারই প্রথম নয়, এর আগেও শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে শরণার্থীদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন, সেখানে বাংলাদেশ সরকার ও মানুষ যে ভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধ দেখিয়েছে, তা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।’
গ্র্যান্ডি আরও বলেন, এই মুহূর্তে ত্রাণ তৎপরতা কিছুটা অগোছালো মনে হয়েছে। কিন্তু মানুষের সহযোগিতা খাটো করে দেখা যাবে না। এই মুহূর্তে এ সহযোগিতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যুক্ত হওয়া প্রয়োজন।
শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যখন তাঁর কথা হয়েছে, তখন তিনি সমস্যা সমাধানের বিষয়টি মাথায় রাখার অনুরোধ করেছেন। এ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য সুস্পষ্টভাবে মিয়ানমারের সহিংসতা দায়ী। এখনই সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে রাখাইনের উত্তরে প্রবেশ করতে দিতে হবে। ইয়াঙ্গুনে ইউএনএইচসিআরের অফিস আছে কিন্তু তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ফিলিপ্পোকে শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি মনে রাখতে বলেছেন। তাঁর মতে, প্রত্যাবাসনের শুরুতেই যে সমস্যার সমাধান করতে হবে, তা হচ্ছে নাগরিকত্বের ইস্যু।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফিলিপ্পো বলেছন, বাংলাদেশের সীমান্তের ওপারে মানুষ এখনো অনেকে চাপের মধ্যে আছে এবং স্থানচ্যুত হয়েছে। এ রকম অবস্থা চলতে থাকলে তারাও সরে যেতে চাইবে। রোহিঙ্গা নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে গ্র্যান্ডি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের যে প্রক্রিয়া চলছে, বাংলাদেশ সরকার সে কাজ করছে। সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে, তারপরেও বাংলাদেশ কাজটি করে চলেছে। এ কাজে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশকে সমর্থন দিচ্ছে। জেনেভা থেকে একটি দল এ কাজে যুক্ত হয়েছে। এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রত্যাবাসনের সময় মিয়ানমার কোনো প্রশ্ন তুলবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে গ্র্যান্ডি বলেছেন, ইউএনএইচসিআর এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আছে।
ইউএনএইচসিআরের হাইকমিশনার গত জুলাই মাসে শরণার্থীশিবির পরিদর্শন করেন। এ দফায় শরণার্থীশিবির পরিদর্শন করে তিনি বলেছেন, শরণার্থীরা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে, তা সহজে ভোলার নয়। তাদের শরীরের ক্ষত হয়তো সেরে যাবে, কিন্তু মনের ক্ষত সারতে বহুদিন লাগবে। তিনি এই শরণার্থী সমস্যাকে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জরুরি শরণার্থী সমস্যা বলে অভিহিত করেছেন।

 

Sunday, Sep 24 2017

নার্সারির বাচ্চাদের মতো খেলছেন ট্রাম্প ও কিম
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নার্সারির বাচ্চাদের মতো খেলছেন
Sunday, Sep 24 2017

 

 

 

উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলের আন্তর্জাতিক আকাশসীমা দিয়ে

Sunday, Sep 24 2017

 

 

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এবার ছায়া পড়েছে বিমসটেকে। বিমসটেকে নতুন গতি আনার প্রচেষ্টা রয়েছে ভারতের।

Sunday, Sep 24 2017
 

 

 টানা দ্বিতীয়বারের মতো এবারও সার্ক শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যেসব আলামত দেখা যাচ্ছে তাতে সম্মেলন না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। প্রতি বছর নভেম্বরে এ সম্মেলন হয়ে থাকে। এখন সেপ্টেম্বরের প্রায় শেষ। হাতে সময় মাত্র একমাস। কিন্তু এখনো এ নিয়ে কোনো তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না। পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে- এমন অভিযোগে গত বছর সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ভণ্ডুল হয়ে যায়। কিন্তু এবারও পরিণতি একই রকম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন খবর দিয়েছে ভারতের অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। এতে সাংবাদিক ইন্দ্রানি বাগচি লিখেছেন, টানা দ্বিতীয় বছরের মতো এবারও সার্ক শীর্ষ সম্মেলন না-ও হতে পারে। বাংলাদেশ, ভারত ও আফগানিস্তান গত বছর সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়া থেকে বিরত থাকে। এ দেশগুলোর অভিযোগ সদস্য দেশ পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে। তার প্রভাব পড়ছে এ তিনটি দেশে। এ অভিযোগে তারা সম্মেলনে যোগ দেয়া থেকে বিরত থাকায় ২০১৬ সালের সম্মেলন ভণ্ডুল হয়ে যায়। ওই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। এবারও সম্মেলনে ভারতের অনাগ্রহের কথা জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি সাক্ষাৎ করেছেন সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে। সেখানেই তিনি ভারতের অনাগ্রহের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এবার সম্মেলন হচ্ছে না তার পক্ষে এটাই বড় প্রমাণ। যদিও দু’দিন আগে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে সার্ক সম্মেলন আয়োজন নিয়ে ইসলামাবাদের প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফে বলা হয়েছে সার্ক সম্মেলন আয়োজনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ইসলামাবাদ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ শুরু করেছে। ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর নাজমুল হুদাও পার্লামেন্টে পাকিস্তান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে একজন মন্ত্রীর দেয়া এমন তথ্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, সার্কে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রাখে ভারত। সেই ভারতই যদি এমন কথা বলে তাহলে সম্মেলন নিয়ে আশাবাদী হওয়ার জায়গা থাকে না। এখানে উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক একটি বড় ফ্যাক্টর। এ সম্পর্কের বড় একটি প্রভাব রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার এ সংগঠনটিতে। ইন্দ্রানি বাগচি লিখেছেন, সুষমা স্বরাজ সার্ক সম্মেলন হচ্ছে না বা হবে না- এমনটা নিশ্চিত করেননি। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে সন্ত্রাস দূরীকরণকে প্রধান ধর্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, আঞ্চলিক সমৃদ্ধি, সংযুক্তি ও সহযোগিতা তখনই হতে পারে যখন পরিবেশ থাকে শান্ত ও নিরাপদ। কিন্তু তা এখনো এ অঞ্চলে মারাত্মক ঝুঁকিতে। আঞ্চলিক ভাবে আমাদেরকে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজন হলো, সব রকম সন্ত্রাসকে নির্মূল করা। এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকতে পারে না। সুষমা স্বরাজ আরো বলেছেন, মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা, বাণিজ্যিক কোনো চুক্তি বাদ রেখে লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে সার্ক। সার্কের অধীনে ভারত যেসব প্রকল্প হাতে নিয়েছে তিনি সেসব তুলে ধরেন। সুষমা বলেন, এ বছর মে মাসে সাউথ এশিয়া স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটাই এ ধরনের প্রথম উদ্যোগ। এতে রয়েছে বিস্তৃত এপ্লিকেশন। তা এ অঞ্চলের বৃহৎ জনগোষ্ঠী ব্যবহার করে জীবনের উন্নতি ঘটাতে পারবে।
ইন্দ্রানি লিখেছেন, সার্কের পরিবর্তে ভারত নতুন শক্তি নিয়ে নজর দিয়েছে বিমসটেকে। এতে যোগ দিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশ। এতে অনুপস্থিত রয়েছে পাকিস্তান। এটা একটা রহস্য। এর মধ্য দিয়ে সার্ককে কার্যত ‘সার্ক মাইনাস ওয়ান’ সংগঠনে পরিণত করা হয়েছে। উপরন্তু বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া ও নেপাল) নামের সাব-গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে নিজেদেরকে সংযুক্ত করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে রেল ও বিদ্যুৎ শেয়ারিং করা হবে। সহযোগিতার এক নতুন মডেল হচ্ছে এটি। সূত্র বলেছেন, বর্তমানে সার্কের চেয়ারম্যান হলো নেপাল। তারা আগামী বছর সার্ক শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তাতেও একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। তা হলো আগামী বছর পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন। ফলে ওই সময়েও সার্ক সম্মেলন করা কঠিন হয়ে পড়বে। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ থেকে সরে আসার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে যাবে ভারত। কারণ, ওই বিষয়টি সার্কের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে।

Saturday, Sep 23 2017
 

 

আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমার পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁর কাছে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দাবি করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অর্ধেক সদস্য। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, বৃটেন, ফ্রান্স, মিশর, সেনেগাল ও কাজাখস্তান। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদের এসব সদস্য রাষ্ট্র জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁর প্রতি আহ্বান জানান, আগামী সপ্তাহে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে তিনি যেন আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার বিষয়ে ব্রিফ করেন। গুতেরাঁ এরই মধ্যে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতাকে জাতি নিধন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সেপ্টেম্বরে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছে ইথিওপিয়া। তারা যেন আগামী সপ্তাহের অধিবেশনে মহাচিবের ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে এমন আহ্বান জানিয়েছে ওই সদস্য দেশগুলো। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, ২৫ শে আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর কমপক্ষে চার লাখ ২২ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে সরাসরি এ বিষয়ে কোনো কথা না বললেও তার হয়ে বুধবার বক্তব্য রেখেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চাইছেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যেন শক্তিশালী ও দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এই সহিংসতা বন্ধে। এরই মধ্যে রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরুর পর থেকে এ ইস্যুতে দু’দফা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে নিরাপডত্তা পরিষদ। প্রথম বৈঠকের বিষয়ে কোনো বিবৃতি বা বক্তব্য দেয়া না হলেও দ্বিতীয় বৈঠকের পর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে পরিষদ। তাতে রোহিঙ্গা পরিস্থিতিতে নিন্দা জানানো হয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। ওদিকে নিরাপত্তা পরিষদের কূটনীতিকরা বলছেন, যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয় তাহলে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বিবেচনা করতে পারে নিরাপত্তা পরিষদ। তবে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপে সম্মত না-ও হতে পারে চীন ও রাশিয়া। কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে হলে তাদের সম্মতি প্রয়োজন। তারা যদি মিয়ানমার বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আনীত কোনো প্রস্তাবে ভেটো দেয় তাহলে তা বাতিল হয়ে যাবে। নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব পাস হতে হলে কমপক্ষে ৯টি ভোট প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও ফ্রান্সের। এরা হলো নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। এর কোনো দেশ কোনো প্রস্তাবে ভেটো দিলে তার কার্যকারিতা থাকে না। এ জন্যই চীন ও রাশিয়াকে হাতে রাখতে আগে থেকেই কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ শুরু করে মিয়ানমার। এ খবর এরই মধ্যে মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। জাতিসংঘ যাতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারে সেজন্য তাদেরকে রাজি করাতে সুচি সরকার আগে থেকেই মাঠে নেমে পড়েছে। ফলে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদ কতটা কঠোর বা আদৌ কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে কিনা তা এখন দেখার বিষয়।

Page 16 of 20

যারা অনলাইনে আছেন

We have 367 guests and 55 members online

  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • sunddotadesomde
  • reidrosephmonliter
  • wersicarenuna
  • cirilumtiticcio
  • inababcock36609045
  • hayleychiodo5557860
  • jcwbfejb94x4d6
  • r1udze02uuxbqs
  • miguelgrimley889
  • dhns2alj027aaw
  • bqh1pvbe8
  • awhsoje043k7cxp
  • 7nv2kmd5zg
  • nwkmarsha24952001
  • scotsnead39804408
  • qu3xx9r2cawut7
  • q1tgmc9h93sbc7
  • 84bol0lgqyfwvz9
  • alizadurgin4282
  • caleb98507444810051
  • stevecouvreur402
  • 7u3pl25rhg1fr6
  • wfhfy6q4nk78w3
  • e6xmjptb7mkdg39
  • justinashumack257193
  • woodrownlj3717898
  • vogp7mipi9zz9w
  • 2ofhki6bnx9beh
  • iouafzpb8

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %