Saturday, Sep 30 2017

সরকারি কাজে বেসরকারি বিলাসবহুল প্লেন ব্যবহারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন টম প্রাইস।

Friday, Sep 29 2017

রাখাইনে সামরিক অভিযান বন্ধের জোর দাবি জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁ। তিনি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতাকে ইংরেজিতে ‘হিউম্যানিটারিয়ান

Friday, Sep 29 2017

রাখাইনে সামরিক অভিযান বন্ধের জোর দাবি জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁ। তিনি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতাকে ইংরেজিতে ‘হিউম্যানিটারিয়ান

Wednesday, Sep 27 2017

বেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক শিনাওয়াত্রাকে ৫ বছরের জেল দিয়েছে থাইল্যান্ডের আদালত। কৃষকের কাছ থেকে ভর্তুকি দিয়ে চাল কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে এ রায় দেয়া হয়েছে। গত মাসে দেশ

Wednesday, Sep 27 2017


মিয়ানমারের সহিংসতা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে হয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নির্যাতন, তার ফলে বন্যার পানির মতো তাদের দেশত্যাগ ইস্যুতে আলোচনা হয় তাতে। তবে এর বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তা স্পষ্ট জানা যায় নি। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্ক হবে এ ইস্যুতে। তাতে বক্তব্য রাখবেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁ। তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার বিস্তারিত তুলে ধরবেন। এর পর বিতর্কের পর বোঝা যাবে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদ। তবে জাতিসংঘে বৃটিশ উপ রাষ্ট্রদূত জোনাথন অ্যালেন বলেছেন, সহিংসতা যাতে বন্ধ হয় সেজন্য মিয়ানমারকে পরিস্কার বার্তা দিতে হবে। রাখাইন রাজ্যে মানবিক সহায়তা অনুমোদন করতে হবে। রোহিঙ্গাদের মর্যাদা নির্ধারণ করতে হবে। ওদিকে ফরাসি রাষ্ট্রদূত ফ্রাঁসোয়া দেলাত্রি বলেছেন,মিয়ানমারের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করতে নিরাপত্তা পরিষদকে কঠোর ও ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ মাসের শুরুর দিকে এই সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিল নিরাপত্তা পরিষদ। তাতে সমর্থন দিয়েছিল চীন। দেশটি মিয়ানমারের সাবেক সামরিক জান্তাদের মিত্র বলে পরিচিত। এমন কি এখনও নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদেরকেই ‘বিগ ব্রাদার’ মানছে মিয়ানমার। নিরাপত্তা পরিষদের ওই আহ্বান ও তাতে চীনের সমর্থনের পরও রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধ ঘটাচ্ছে মিয়ানমার এমন অভিযোগ করছে শীর্ষ স্থানীয় মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো। তারা জরুরি ভিত্তিতে এ জন্য পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি। মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের জাতিসংঘে নিয়োজিত পরিচালক লোউ চারবোনেউ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যারা অপরাধ সংঘটিত করছে তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি এই পরিষদের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। ওদিকে আগামী সপ্তাহে মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করতে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ফ্রান্স।

Monday, Sep 25 2017

আন্তর্জাতি ডেস্ক:
মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর তথাকথিত ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের মুখে রোহিঙ্গা মুসলিমদের জাতিগত নিধনযজ্ঞের সমালোচনা চলছে সারা বিশ্বে। এই পরিস্থিতিতে রাখাইনে ‘শান্তি’ বজায় রাখতে মিয়ানমারকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ডলার সহযোগিতা দিয়েছে চীন।
চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুজয়ার খবরে বলা হয়েছে, আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের অনুষ্ঠানে মিয়ানমারে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত হং লিয়াং উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, এই অর্থ রাখাইনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজে লাগবে।

গ্লোবাল টাইমস-র খবরে বলা হয়েছে, রাখাইনে শান্তি বজায় রাখতে মিয়ানমার সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে চীন যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে। মিয়ানমারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী উইন মিয়াত আইয়ি অর্থ সহযোগিতার চীনকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিশ্রুতি দেন সহযোগিতাটির উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, সিনহুয়া জানিয়েছে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারসুদির সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন।

২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর তথাকথিত ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ এই অভিযানকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞের পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সব সময় মিয়ানমারের পাশে দাঁড়িয়েছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেং শুয়াং। তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানাচ্ছে চীন। তবে সেখানে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখতে মিয়ানমার সরকার যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘদিনের। দুই দেশেই অধিকাংশ মানুষ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মিয়ানমারের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। জাতিসংঘের

কূটনীতিকদের অভিযোগ, এর আগেও রোহিঙ্গা-সংকটকে জাতিসংঘের শীর্ষ কাউন্সিলে উত্থাপনে বিরোধিতা করে বেইজিং। সূত্র: সিনহুয়া, গ্লোবাল টাইমস।
 


Page 14 of 20

যারা অনলাইনে আছেন

We have 413 guests and 43 members online

  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • opralytfifinscred
  • frosgimtanomesal
  • wheelcsporacadec
  • ilnybandikeg
  • ndunocasheraka
  • keiprislachcourtfesep
  • pendazzlilymmompre
  • kourtneythring302589
  • iapsteffen8334308607
  • damarisdenham422
  • hudsonculbertson72
  • gilbertwedding09
  • nelly09g322917009
  • hi3i00awcjn7qj
  • 5zb24zhux0mwc0a
  • o6t2f3jitmtzsep
  • p68z1i9ryaqlpo0
  • shfvw01prd2ljx
  • d0lb133xgmqya7
  • a3en8fak0xnf3w
  • qi3fukvb7vy1aj
  • vjkxa1o8b7f2jkg
  • rlrk8jpvhy73ja
  • gp7rdvd3ighz2sj
  • cg8g7ln0zjw27n0
  • ahliher31tkkws

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %