গবাদিপশুর রোগ ঠেকাতে ‘হেলথ কার্ড’

জাতীয়
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

গবাদিপশুর রোগ ঠেকাতে ‘হেলথ কার্ড’

অনলাইন ডেস্ক: ছাগল ও ভেড়ার ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ পেস্ট ডেস পেটিটস রুমিন্যান্টস (পিপিআর) বা গোট প্লেগ ও গরু-মহিষের ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব রোগ ঠেকাতে হাতে নেওয়া হয়েছে একটি পাইলট প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় গবাদি পশুর জন্য প্রস্তুত করা হবে ‘হেলথ কার্ড’। আর কার্ডের মাধ্যমে নিয়মিত টিকা ও কৃমিনাশক ওষুধ দেওয়া হবে গবাদি পশুকে।

‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পটি দেশের ৩২টি উপজেলার ২৬২টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হবে। মেয়াদ ধরা হয়েছে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮২ কোটি টাকা। গবাদি পশু থেকে উচ্চমানের খাবার উপযোগী আমিষ মাংস ও দুধ পাওয়ার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘হেলথ কার্ড’ করার ক্ষেত্রে গরু-মহিষেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত এলাকার সব গরু-মহিষকে ‘হেলথ কার্ড’র আওতায় আনা হবে। ছয় মাস হোক, এক বছর হোক, টিকা বা কৃমিনাশক ওষুধ দিলে তা কার্ডে উল্লেখ থাকবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক কোটি পিপিআর ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। দেওয়া হবে অন্যান্য টিকা-ওষুধও।

অধিদফতর সূত্র বলছে, নির্বাচিত এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পশুর রোগ নিয়ন্ত্রণে এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা যাচাই, নমুনা সংগ্রহ এবং ডেটাবেজও তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে পশুর রোগ প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে কাজ করতে সামর্থ্য তৈরি হবে সরকারের।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কর্মকর্তারা জানান, পাইলট এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘হেলথ কার্ড’ পাওয়া কোনো পশুর মালিকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হবে না। তবে পরবর্তী পর্যায়ে দেশব্যাপী যখন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে, তখন কিছু টাকা নেওয়া হবে। টাকা নেওয়ার অংক সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

এ পাইলট প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ডা. মোহাম্মদ আইনুল হক বাংলানিউজকে বলেন, হেলথ