Friday, Sep 22 2017

 

 

ভুয়া মর্টগেজে কৃষি ব্যাংকের ৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখার সাবেক ডিজিএম মো. ইকবাল হোসেন মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 

দুদকের উপপরিচালক মো. সামসুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশের আমর্ড ইউনিট বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উত্তরার বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

তার বিরুদ্ধে গত ৪ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে দুদক।

দুদক জানায়, পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া মর্টগেজ ও  জাল ডকুমেন্ট তৈরি করে একোমডেশনের মাধ্যমে ঋণের নামে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কারওয়ান বাজার শাখা থেকে ফান্ডেড এবং নন-ফান্ডেড মিলিয়ে মোট ৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. ইকবাল হোসেন মোল্লাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক।

Friday, Sep 22 2017

 

শুল্ক গোয়েন্দা টঙ্গী, গাজীপুরের একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রায় ৬৫ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে।

Friday, Sep 22 2017

 

 

ফেসবুকের একপি ক্লোজ গ্রুপে পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে বিভাগ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

২০১৫ সালে যোগকারী সিফাতুল হক শিবলি ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-২-এ কর্মরত ছিলেন। তাকে মানবসম্পদ বিভাগে যুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সম্প্রতি এক চিঠির মাধ্যমে পরিদর্শকদের ক্ষমতা কিছুটা কমানো হয়েছে। এখন থেকে কোনো ঋণকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করতে বা ঋণের ব্যবহার সরেজমিনে দেখতে হলে ডেপুটি গভর্নরের (ডিজি) অনুমোদন নিতে হবে।

ওই দিনই ‘দ্য ফ্যামিলি অব বাংলাদেশ ব্যাংক’ ফেসবুকের গ্রুপে শিবলি মজা করে লেখেন, ‘ডিজি মহোদয় আপনি অনুমতি দিলে একটি লোন (ঋণ) ক্লাসিফায়েড (খেলাপি) করতে চাই। গ্রাহকের নাম ঠিকানা বল। স্যার গ্রাহক তো মেলা টাকার মালিক। ক্লাসিফায়েড করার আগে গ্রাহককে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বল।’

একই দিন তিনি আরও লেখেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক শেষ হয়ে যাবে।’

উল্লেখ্য, ‘দ্য ফ্যামিলি অব বাংলাদেশ ব্যাংক’ নামে ফেসবুকের একটি ক্লোজ গ্রুপ। সবার এ গ্রুপে সবার প্রবেশের সুযোগ নেই। শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট কর্মকর্তারা ফেসবুক গ্রুপটির সদস্য।

এ প্রেক্ষিতে বুধবার তাকে ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-২ থেকে বদলি করে মানবসম্পদ বিভাগে যুক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়া হয়। এ ঘটনা তদন্তে ব্যাংকের অব সাইট সুপারভিশন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কমিটি করা হয়েছে।

২ অক্টোবরের মধ্যে শিবলিকে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান।

Friday, Sep 22 2017
অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাপকহারে বাড়ছে কৃষি ঋণ বিতরণ। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দুই হাজার ৭৯৪ কোটি ৫ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে দেশের ব্যাংকগুলো। যা লক্ষ্যমাত্রার ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মোট বিতরণ হওয়া ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৮০৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এছাড়া বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে এক হাজার ৯৮৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কৃষিঋণ বিতরণে শীর্ষে রয়েছে সরকারি খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে বিশেষায়িত এ ব্যাংকটি ৪৮২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। অর্থবছরের দুই মাসে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। পুরো অর্থবছরের জন্য এ ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।
 
ঋণ বিতরণে এরপরেই রয়েছে বেসরকারি খাতের শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। দুই মাসে ব্যাংকটি ২৫৭ কোটি ২৮ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। যা সারা বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ২৩১ কোটি টাকা। কৃষিঋণ বিতরণে তৃতীয় অবস্থানে আছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। অর্থবছরের দুই মাসে ব্যাংকটি ২৩৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ২০ দশমিক ৫২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এক হাজার ১৫৭ কোটি টাকা।  চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই  মাসে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক প্রায় ১৩০ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা এক হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।
 
প্রতিবেদন বিশ্লে­ষণ করে দেখা গেছে, বিতরণকৃত কৃষিঋণের অধিকাংশই শস্য খাতে বিতরণ করা হয়েছে। দুই মাসে শস্য খাতে এক হাজার ২৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। এছাড়া পোল্ট্রি খাতে ৫৬৫ কোটি টাকা, মত্স্য খাতে ৩৮২ কোটি টাকা, সেচ যন্ত্রাংশ খাতে প্রায় ১৮ কোটি টাকা, কৃষি যন্ত্রাংশে প্রায় ১৭ কোটি টাকা, খাদ্য ভাণ্ডার খাতে ১৫ কোটি টাকা, দারিদ্র্য বিমোচনে ১৫১ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে ৪১০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
 
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। তবে অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ করেছিল ব্যাংকগুলো।
 
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক নীতিমালায় কৃষিঋণ বিতরণের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ বছর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক ২০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ পল্ল­ী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ৭২০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করবে বলে নীতিমালায় উলে­খ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শস্য বা ফল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি প্রতিবেদন ও তদন্তের প্রয়োজন হবে না।
 
এদিকে ব্যাংকঋণের সুদহারের নিম্নমুখী প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে কৃষিঋণের সুদের হার কমানো হয়েছে। ১ জুলাই থেকে কৃষি ও পল­ী ঋণের সুদহারের ঊর্ধ্বসীমা ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এই ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ছিল ১০ শতাংশ। ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোকে উত্সাহ দিতে সাধারণ সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছর থেকে ১০০ টাকা কৃষিঋণ বিতরণের বিপরীতে মাত্র ২৫ পয়সা প্রভিশন রাখতে হবে। আগে ১০০ টাকা কৃষিঋণের বিপরীতে আড়াই টাকা সংরক্ষণ করতে হতো।
 
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বেসরকারি অনেক ব্যাংক এখন কৃষিঋণ বিতরণ করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলোও লক্ষ্যমাত্রার আলোকে ঋণ বিতরণ করছে। ফলে আগের চেয়ে কৃষিঋণ বিতরণের হার অনেক বেড়েছে। কৃষিঋণ বিতরণে দু-একটা অনিয়ম হলেও এই ঋণের গুণগত মান আগের চেয়ে বেড়েছে।
 
প্রসঙ্গত, কৃষিঋণ পুনঃতফসিল করতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। কোনো ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই তাদের কৃষিঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবেন। কোনো ধরনের জমা ছাড়াই নতুন ঋণ পাবেন। এছাড়া  ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৬ মাস গ্রেস পিরিয়ড (কিস্তি আদায় বন্ধ) প্রদান করা যাবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।
Friday, Sep 22 2017
অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাপকহারে বাড়ছে কৃষি ঋণ বিতরণ। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দুই হাজার ৭৯৪ কোটি ৫ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে দেশের ব্যাংকগুলো। যা লক্ষ্যমাত্রার ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মোট বিতরণ হওয়া ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৮০৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এছাড়া বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে এক হাজার ৯৮৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কৃষিঋণ বিতরণে শীর্ষে রয়েছে সরকারি খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে বিশেষায়িত এ ব্যাংকটি ৪৮২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। অর্থবছরের দুই মাসে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। পুরো অর্থবছরের জন্য এ ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।
 
ঋণ বিতরণে এরপরেই রয়েছে বেসরকারি খাতের শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। দুই মাসে ব্যাংকটি ২৫৭ কোটি ২৮ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। যা সারা বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ২৩১ কোটি টাকা। কৃষিঋণ বিতরণে তৃতীয় অবস্থানে আছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। অর্থবছরের দুই মাসে ব্যাংকটি ২৩৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ২০ দশমিক ৫২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এক হাজার ১৫৭ কোটি টাকা।  চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই  মাসে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক প্রায় ১৩০ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা এক হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।
 
প্রতিবেদন বিশ্লে­ষণ করে দেখা গেছে, বিতরণকৃত কৃষিঋণের অধিকাংশই শস্য খাতে বিতরণ করা হয়েছে। দুই মাসে শস্য খাতে এক হাজার ২৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। এছাড়া পোল্ট্রি খাতে ৫৬৫ কোটি টাকা, মত্স্য খাতে ৩৮২ কোটি টাকা, সেচ যন্ত্রাংশ খাতে প্রায় ১৮ কোটি টাকা, কৃষি যন্ত্রাংশে প্রায় ১৭ কোটি টাকা, খাদ্য ভাণ্ডার খাতে ১৫ কোটি টাকা, দারিদ্র্য বিমোচনে ১৫১ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে ৪১০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
 
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। তবে অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ করেছিল ব্যাংকগুলো।
 
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক নীতিমালায় কৃষিঋণ বিতরণের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ বছর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক ২০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ পল্ল­ী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ৭২০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করবে বলে নীতিমালায় উলে­খ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শস্য বা ফল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি প্রতিবেদন ও তদন্তের প্রয়োজন হবে না।
 
এদিকে ব্যাংকঋণের সুদহারের নিম্নমুখী প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে কৃষিঋণের সুদের হার কমানো হয়েছে। ১ জুলাই থেকে কৃষি ও পল­ী ঋণের সুদহারের ঊর্ধ্বসীমা ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এই ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ছিল ১০ শতাংশ। ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোকে উত্সাহ দিতে সাধারণ সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছর থেকে ১০০ টাকা কৃষিঋণ বিতরণের বিপরীতে মাত্র ২৫ পয়সা প্রভিশন রাখতে হবে। আগে ১০০ টাকা কৃষিঋণের বিপরীতে আড়াই টাকা সংরক্ষণ করতে হতো।
 
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বেসরকারি অনেক ব্যাংক এখন কৃষিঋণ বিতরণ করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলোও লক্ষ্যমাত্রার আলোকে ঋণ বিতরণ করছে। ফলে আগের চেয়ে কৃষিঋণ বিতরণের হার অনেক বেড়েছে। কৃষিঋণ বিতরণে দু-একটা অনিয়ম হলেও এই ঋণের গুণগত মান আগের চেয়ে বেড়েছে।
 
প্রসঙ্গত, কৃষিঋণ পুনঃতফসিল করতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। কোনো ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই তাদের কৃষিঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবেন। কোনো ধরনের জমা ছাড়াই নতুন ঋণ পাবেন। এছাড়া  ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৬ মাস গ্রেস পিরিয়ড (কিস্তি আদায় বন্ধ) প্রদান করা যাবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।
Wednesday, Sep 20 2017

 

বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানো উৎসাহিত করতে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চার ক্যাটাগরিতে ২৬ ব্যক্তি ও ৯ প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পেয়েছে। প্রথমবারের মতো শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী ৫ ব্যাংককে পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মাননা স্মারক ও ত্রেস্ট দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। মঙ্গলবার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের রেমিট্যান্সের ওপর ভিত্তি করে।

 এবার আওতা বাড়িয়ে ২১ জন শীর্ষ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যক্তি, ৫ জন বন্ডে বিনিয়োগকারী, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মালিকানার চারটি এক্সচেঞ্জ হাউস এবং রেমিট্যান্স আহরণকারী পাঁচটি ব্যাংককে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

শীর্ষ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ও বন্ডে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১৭ জন সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী। অন্যরা যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, কাতার ও অস্ট্রেদ্ব্রলিয়ায় বসবাস করেন।

 শীর্ষ ৫ রেমিট্যান্স প্রেরণকারীর মধ্যে তিনজনই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারামাইন নামক প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় রয়েছেন। তারা হলেন- মাহতাবুর রহমান, ওয়ালিউর রহমান ও এমাদুর রহমান। আর রেমিট্যান্স আহরণকারী শীর্ষ পাঁচ ব্যাংক হলো- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, অগ্রণী, সোনালী ও জনতা ব্যাংক। এক্সচেঞ্জ হাউসের মধ্যে দুটি যুক্তরাষ্ট্রের এবং যুক্তরাজ্য ও ইতালির একটি করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের জাতীয় বীর আখ্যায়িত করে বলেন, রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে আইনের নামে অপ্রয়োজনীয় সব বাধা দহৃর করতে হবে। সব ধরনের নীতিমালা আরও উদারীকরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে কেউ যেন অবৈধ কার্যক্রম করতে না পারে তার জন্য আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আরও বক্তব্য রাখেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নমিতা হালদার। কয়েক বক্তা রেমিট্যান্স বাড়াতে বিকাশ, রকেটসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হুন্ডি ঠেকানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে রেমিটারদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উপায় তুলে ধরেন।

Page 10 of 13

যারা অনলাইনে আছেন

We have 324 guests and 49 members online

  • southbolswimbpilo
  • ivcetabconcta
  • cendelighwressilu
  • presunpretfiurysri
  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • leigranesphiconho
  • checkboterpstanlietral
  • deand042013556332650
  • jeffreyrevell817225
  • sophia228612237109
  • cindi8987335909
  • nathanenyeart5937
  • marcelarutter6075
  • w10619weu9xmgk
  • reajix4b33u83r
  • ocibji5u2sne
  • kgqhitc0qvcjs90
  • r2fn83als5iam5
  • cpbc4d4fghyp
  • 8pnn5xx3zaplrq
  • o4tjl8rfphv1
  • kurtischeng76142304
  • u6axeyxkzs2n
  • dwkuccild0h1m5f
  • cwmn0fbcs8j2ko

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %