কাঁচামরিচের কেজি ৩শ’ টাকা

                                            রাজধানীতে অতিবৃষ্টির কারণে এক লাফে কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকায় উঠেছে। একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। আগের দিনেও প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা ছিল।

এখন খুচরায় ৩০০ টাকা থাকলেও পাড়া-মহল্লার দোকানিরা ৪০০ টাকা কেজি নিচ্ছেন। চড়া দামে দিশেহারা ক্রেতারা। সরবরাহ কম থাকার অজুহাত তুলে বিক্রেতারা বাড়তি দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। 
রাজধানীর মিরপুর আনসার ক্যাম্প বাজারে কাঁচামরিচের দাম শুনে হতবাক ক্রেতা আবদুর রহমান।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ২৫০ গ্রাম মরিচ ২৫ টাকা ছিল। এখন তা ৭৫ টাকা দাম নিচ্ছে। এমন কী হয়েছে যে, এক লাফে তিনগুণ দাম বাড়বে? 
বৃষ্টির পানিতে রাজধানীর অনেক এলাকা ডুবে যাওয়ায় বেশিরভাগ দোকান বন্ধ ছিল। এ কারণে আবাসিক এলাকার দু-একটি দোকান খোলা থাকলেও সেখানে তুলনামূলক বেশি দামে পণ্য বিক্রি হয়েছে। রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুর এলাকায় শনিবার ১০০ গ্রাম কাঁচামরিচ ৪০ টাকা বিক্রি হয়।
বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, বৃষ্টিতে বাজারে মরিচ কম আসছে। এতে দাম বেড়েছে। 
পাইকারিতেও দ্বিগুণ বেড়েছে। একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে এক পাল্লা (৫ কেজি) কাঁচামরিচের দাম ৪৫০ টাকা বেড়েছে। কারওয়ান বাজারে আগের দিনে প্রতি পাল্লা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা ছিল। শনিবার তা ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকায় বিক্রি হয়। মিরপুর ১ নম্বর পাইকারি আড়তে প্রতি পাল্লা কাঁচামরিচ ৯৫০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে মরিচ ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পণ্যটির সরবরাহ কমে দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন।

তিনি বলেন, বৃষ্টির পানিতে মরিচ নষ্ট হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমেছে। এখন বাজারে যেসব মরিচ আছে তার অধিকাংশ ভারত থেকে আমদানি করা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা কাঁচামরিচের সরবরাহ কমেছে। এ কারণেদাম বেড়েছে। তবে খুচরায় অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে।
তিনি জানান, আবহাওয়া ঠিক হলে আবার সরবরাহ বাড়বে। তখন দাম কমে আসবে।
দেশে পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া এলাকায় মরিচের চাষ বেশি হয়। এসব এলাকাসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে অনেক এলাকায় ক্ষেত থেকে কাঁচামরিচ তোলার মতো পরিস্থিতি নেই। বাজারে যতটুকু চাহিদা আছে তা আসছে না। এ কারণে দাম বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, প্রতিবছর শীত ও গ্রীষ্মে দেশে দুই লাখ থেকে সোয়া দুই লাখ একর জমিতে মরিচ চাষ হয়। উৎপাদন হয় প্রায় দেড় লাখ টন।

Read 67 times
Rate this item
(0 votes)
Super User

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Mauris hendrerit justo a massa dapibus a vehicula tellus suscipit. Maecenas non elementum diam.
Website: smartaddons.com

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.

যারা অনলাইনে আছেন

We have 294 guests and 22 members online

  • gewancasoli
  • oulitdismoming
  • diodunliatunlei
  • loggpeginlighprosal
  • contrecrootsprestima
  • dakotajenks276454
  • roseannd6265515360196
  • stewartprovost85921
  • ernesto51104890
  • dottyqueen530061
  • h1pj3zhox5uoenl
  • 1z1a7nqair7cts
  • upe8un7xvp5pxu
  • dey4hs1yutnuu9
  • ksfvcpu8i
  • emiliepolley5666
  • 8xcvpf7bjw73l4x
  • senpv2myxog6ug
  • fg7bmc8jcd4nmr9
  • 9ui4jnwgw2kp
  • zf22h2bkd02
  • 19c6r4b1grsj

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %