Seru cadin retu Featured
Monday, Jul 23 2012

Lorem ipsum dolor sit amet, consetetur sadipscing elitr, sed diam nonumy eirmod tempor invidunt ut labore et dolore magna aliquyam erat, sed diam voluptua.

Monday, Jul 23 2012

Misociis nulla interdum et. Cursus senectus aliquet pretium at tristique hac ullamcorper adipiscing et Donec. Enim montes parturient augue orci et libero.

Monday, Jul 23 2012

Temper ac nec sit massa In Curabitur id risus sit. Non ante gravida eros quis justo sed nonummy et Donec et. Hendrerit velit orci sagittis eu Aenean pharetra faucibus

Wednesday, Dec 20 2017

ইয়াহিয়া নয়ন
খালেদা জিয়ার সাজা হলে নির্বাচনে যাবে না ২০ দল
প্রায় দুবছর পর খালেদা জিয়া রাজধানীতে গণসমাবেশ করলেন। অনেকেরই ধারণা ছিল তিনি এই সভা থেকেই তাঁর সহায়ক সরকার বিষয়ে ব্যখ্যা দিবেন। নতুন কর্মসূচী দেবেন। দীর্ঘ বক্তৃতায় তিনি যা বলেছেন তা শুনে অনেক কর্মীরা বিরক্ত হয়েছেন। এদিকে চলমান দুর্নীতির মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার সাজা হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে যাবে না ২০ দলীয় জোট। চার মাস পর ১৫ নভেম্বর রাতে জোটের বৈঠকে নেতারা এ কথা বলেছেন।  বৈঠকে জোটের নেতাদের দাবি, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দুটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। এ মামলায় তার সাজা হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন প্রতিহত করা হবে। খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন হতে পারে না বা হতে দেওয়া হবে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তারা। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এসব কথা জানা গেছে।
সেদিনের বৈঠকে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায়ে সরকারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। বৈঠকে উপস্থিত জোটের শীর্ষ নেতারা জানান, খালেদা জিয়া পরামর্শ দিয়েছেন, এখন থেকে আন্দোলন শব্দটি নয়, রাজনৈতিক কর্মসূচি শব্দটি সামনে আনতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। জোট নেতাদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেছেন, কোনোভাবেই জোট ভেঙে সরকারের ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। সরকারের অনেক টাকা আছে। সরকার অনেক টোপ দেবে; কিন্তু আপনারা যাবেন না। কোনোভাবেই যেন জোট না ভাঙে, সে ব্যাপারে শরিক দলীয় নেতাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

বৈঠকে খালেদা জিয়াকে আরও বেশি গণমুখী কর্মসূচি নেওয়ার পরামর্শ দেন জোট নেতারা। জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, কর্মসূচি দেওয়ার সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন। তবে তার শারীরিক অবস্থা ও পরিস্থিতির ওপরও বিষয়টি অনেকটা নির্ভর করবে। বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীসহ ১৭টি শরিক দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন কল্যাণ পার্টি ও পিপলস লীগের নেতারা। তবে লেবার পার্টিকে সংগঠনটির উপদলীয় কোন্দলে বিভক্ত নেতৃবৃন্দের কারণে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জোট নেতারা।
ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মতুর্জা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও ২০ দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে ছাড়া তারা আগামী নির্বাচনে যাবেন না। এমনকি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ওই নির্বাচন হতেও দেবেন না।
বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে শরিক দলের নেতারা বলেছেন, আগামীতে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবেন না। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের মেয়াদের তিন মাস আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হতে পারে না। নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন থেকে কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামাতে হবে। এসব দাবির প্রতি জনমত গঠনে বিভাগ ও জেলায় সফর ও সমাবেশ করা উচিত। নেতাদের বক্তব্যের প্রতি সম্মতি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, নতুন বছর নয়- এ মুহূর্ত থেকে জনমত গঠনের প্রস্তুতি নিতে হবে। জোট নেতাদের আশ্বস্ত করে খালেদা জিয়া বলেন, ২০ দলীয় জোটের শরিকরা বিএনপির দুঃসময়ে পাশে আছে। ভবিষ্যতে সুসময়েও পাশে থাকবে। এমনকি জোট শরিকদের নিয়েই নির্বাচনে যাবেন তারা।
বৈঠকে খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আট বিভাগীয় শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে সফর হতে পারে। জোটের শরিক নেতাদের কাছে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা জানতে চাইলে তারা সারাদেশে সফর করে সমাবেশ করার দাবি জানালে খালেদা জিয়া এ সফরের কথা বলেন। তাদের প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দিয়ে তিনি বলেছেন, হাতে বেশি সময় নেই। নির্বাচন দ্রুত চলে আসছে। তাই সফরের আগে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। নিজ নিজ দলের মধ্যে আলোচনা করে এখনই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময়। সামনে সব কর্মসূচিতে শরিক নেতাদের অংশ নিতে হবে। নতুন বছরের শুরুতে বিভাগ ও জেলা সফর শুরু হতে পারে। এই সফরের উদ্দেশ্য হচ্ছে, দলীয় সরকার নয়- নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনমত গঠন করা। ২০ দলীয় জোটের ব্যানারে এসব সফর হবে। সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করে নতুন কর্মসূচি দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
 জোটের শীর্ষ নেতাদের পরামর্শ দিয়ে খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক কিছু ঘটতে পারে। সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। তাদের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। এজন্য সরকার চাইবে ২০ দলীয় জোট ভাঙতে। সরকারের পক্ষ থেকে টোপ দেওয়া হবে; কিন্তু সেই টোপে সাড়া দেওয়া যাবে না। এমনকি জোটের শরিকদের মধ্যে কোনো গ্রুপিং থাকতে পারবে না। জোটে যে না থাকবে সে চলে যাবে; কিন্তু জোট ভেঙে যাওয়া যাবে না। এ সময় বাংলাদেশ লেবার পার্টির দুই গ্রুপের উপদলীয় কোন্দলের কথা ওঠে। লেবার পার্টির নেতা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের ওপর অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লেবার পার্টির আগে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), ভাসানী ন্যাপ, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি ভেঙে যায়। এ ছয়টি দল ভেঙে যাওয়ার পরও একাংশ বিএনপি রেখে দেয় যাতে ২০ দলীয় জোট নাম অটুট থাকে।
গত বছর ছাড়া এর আগে প্রায় প্রতি বছরই বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি সম্মান রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়ার রেওয়াজ ছিল বিএনপির। এবারও দলটি মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ করতে চায়। জোটের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। শরিক দলের নেতারা প্রস্তাব দিলে জোট নেত্রী খালেদা জিয়া সমাবেশের ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন।
এ ছাড়া প্রধান বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানোর নিন্দা ও  প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এ বৈঠকে। প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে ডিসেম্বরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের ব্যানারে সমাবেশ করার কথা বলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। আইনজীবীদের সমাবেশে তার আগামী নির্বাচন ও বর্তমান সংকট পরিস্থিতি নিয়ে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার সিদ্ধান্ত হয়। সমাবেশের তারিখ ও স্থান ঠিক না হলেও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সমাবেশ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া আগামী মাসের ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে। এই সিটি নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের পক্ষে একক প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থী হতে আগ্রহী জামায়াতসহ অন্যান্য শরিক দলের কেউ থাকলে নাম দিতে বলেছেন খালেদা জিয়া। যদিও তেমন মেয়র প্রার্থী পাচ্ছেনা বিএনপি। ২০ দলের মূলত নতুন কোনো কমসূচী নেই। সেই নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচনই তারা চাইছে। সহায়ক সরকারের ব্যাখ্যা তারা আর দিলো না। পুরোনো ধাঁচের আন্দোলন,একঘেয়েমি বচন চলছেই। অথচ সরকার বলছে সংবিধানের বাইরে তারা কিছুই করবেনা। এখন প্রশ্ন হলো,২০ দলীয় জোট কি পারবে সরকারের কাছে থেকে তাদের দাবি আদায় করে নিতে?
লেখক : সাংবাদিক,কলামিস্ট।
শস.হধুধহ@ুধযড়ড়.পড়স

Page 3 of 3

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %