Wednesday, Sep 20 2017

 

 

 

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সহায়তা করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কক্সবাজারে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় শীঘ্রই সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল  কাদের বুধবার এসব কথা বলেছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। খবরে বলা হয়,  ২৫শে আগস্টের  পর থেকে এখন পর্যন্ত লাখ লাখ রোহিঙ্গা নির্যাতন থেকে বাঁচতে মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজারের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে।  এত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ত্রাণ সংস্থা ও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। এখন তাদেরকে সাহায্য করতে মোতায়েন করা হচ্ছে সেনাবাহিনী। ওবায়দুল কাদের এএফপিকে বলেন, ‘যেসব রোহিঙ্গারা  ওই ভারী বৃষ্টির মধ্যেও খোলা আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে, তাদের জন্যে আশ্রয়কেন্দ্র ও শৌচাগার নির্মাণ করবে সেনাবাহিনী।’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্যে আশ্রয়কেন্দ্র ও শৌচাগার নির্মাণ নিশ্চিত করা বেশ কঠিন কাজ। এর জন্যে সেখানে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব নির্দেশ দিয়েছেন।
আশ্রয়কেন্দ্র ও শৌচাগার নির্মাণের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ত্রাণ বিতরণে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামলাবে। উল্লেখ্য, শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ বেশ বিশৃঙ্খল একটি প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে পায়ের নিচে চাপা পড়ে শরণার্থীদের নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।  এর আগে সেনাবাহিনীকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারে বৈদেশিক ত্রাণ পাঠানোর কাজ দেয়া হয়েছিলো।

Wednesday, Sep 20 2017

 

 

 

ভারতের দিকে তাকিয়ে আছেন রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েক শত রোহিঙ্গা। তাদের প্রত্যাশা হিন্দু জাতীয়বাদী বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদি এখন ক্ষমতায়। তিনি তাদেরকে ঠাঁই দেবেন। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের বঞ্চিত রাখাইন রাজ্যে তারা ফিরে যেতে চান না। সেখানে ফেরার কথা মনে হলেই আতঙ্ক গ্রাস করে তাদেরকে। আবার মুসলিম প্রধান বাংলাদেশকেও তারা উপযোগী মনে করছেন না। তাই তারা আশা করছেন, নরেন্দ্র মোদি তাদেরকে জায়গা দেবেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গা উগ্রপন্থিদের সহিংসতার মাঝে পড়ে পালিয়ে এসব হিন্দু বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সংখ্যায় তারা প্রায় ৫০০। বর্তমানে অবস্থান করছেন কুতুপালংয়ে পরিস্কার করে দেয়া একটি মুরগির খামারে। তবে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা কমপক্ষে ৪ লাখ ২১ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম যেখানে অবস্থান করছেন সেখান থেকে কয়েক মাইল দূরে তাদের অবস্থান। বাংলাদেশ ও ভারতের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছে মোদি সরকার। এমনকি তাদেরকে ভারতের নাগরিকত্বেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা নিরঞ্জন রুদ্র বলেছেন, ভারত হিন্দুস্তান নামেও পরিচিত। হিন্দুস্তান মানে হিন্দুদের দেশ। আমরা ভারতে বেশি কিছু চাই না। আমরা শুধু শান্তিপূর্ণ জীবন চাই। আমরা মিয়ানমার বা অন্য কোথাও সেই শান্তি পাবো না। এ সময় নিরঞ্জনের আশপাশে এসে জড়ো হন অন্য রোহিঙ্গা হিন্দুরাও। নিরঞ্জনের কথার সঙ্গে সঙ্গে তারাও মাথা নাড়েন। তারা বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে তারা তাদের এই বার্তাটি পৌঁছাতে চান ভারত সরকারের কাছে। রয়টার্স লিখেছে, হিন্দু শরণার্থীদের এই আশাবাদের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত সরকার। তবে সরকারের একটি সূত্র বলেছেন, ভারতে অবস্থানরত প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। এ বিষয়ে একটি আপিলের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করছেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সিনিয়র একজন সদস্য অচিন্ত বিশ্বাস বলেছেন, মিয়ানমার থেকে পালানো হিন্দুদের একটি প্রাকৃতিক গন্তব্য হলো ভারত। তিনি ফোনে বলেন, হিন্দু পরিবারগুলোকে অবশ্যই ভারতে প্রবেশ করতে দিতে হবে সরকারকে। তারা কোথায় যাবে? ভারত হলো তাদের আদিস্থান। অচিন্ত বিশ্বাস আরো বলেন, শরণার্থী ইস্যুতে এবং মিয়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় চাওয়া হিন্দুদের ভারতে আশ্রয় দেয়ার একটি নতুন পলিসি অনুমোদন দেয়ার দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কে এস ধাতওয়ালিয়া। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নয়া দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশ বা মিয়ানমার থেকে সহিংসতায় আক্রান্ত কোনো হিন্দু ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নি। এই মুহূর্তে হিন্দুদের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো এসওএস (সেভ আওয়ার সাউল) আমরা পাইনি। পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা হিন্দু নিরঞ্জন রুদ্র রয়টার্সকে দেখিয়েছেন একটি অস্থায়ী নাগরিকত্বের কার্ড। এটি কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছিল ১৯৭৮ সালে। ওই কার্ডে নিরঞ্জরে জাতি ভারতীয় এবং ধর্ম হিন্দু উল্লেখ করা হয়েছে।

Wednesday, Sep 20 2017

 

 

 

বার্মার রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত সহিংসতা এড়াতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত প্রায় ৩২ মিলিয়ন ডলার (২৬২.৩ কোটি টাকা) অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের স্থানীয় আশ্রয়প্রদানকারী এবং  যারা রাখাইন রাজ্যে অভ্যন্তরীনভাবে উচ্ছেদের স্বীকার হয়েছে তারাও এই সহায়তায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।  নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ৭২তম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র এই সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যান্য অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে, এই বছরের সাধারণ অধিবেশনের প্রাথমিক থিমগুলোর একটি হল চলমান জরুরি অবস্থায় বিশেষত শরণার্থী এবং আশ্রয়দাতাদের মানবিক সহায়তা প্রদান করা। নতুন ঘোষিত এই তহবিলের ফলে চলতি ২০১৭ অর্থবছরে বার্মার অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি ও এই অঞ্চলে দেশটি থেকে আগত শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রদত্ত সহায়তার পরিমাণ দাড়াল প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডলারে ।  এই তহবিল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবর্ণনীয় দুর্দশা মোচনে ও তাঁদের জরুরি মানবিক সহায়তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বুধবার ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  এদিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্র মার্শা ব্লুম বার্নিকাট বুধবার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য তার সরকারের ঘোষিত মানবিক সহায়তার বিষয়টি উপস্থিত সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

Wednesday, Sep 20 2017

 

রাজধানীর তুরাগ থেকে ৬৪০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ, ১টি কুমিরের বাচ্চাসহ বন্যপ্রাণী পাচার আন্তর্জাতিক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) নূরুল মোক্তাকিন।

তিনি জানান, ৬৪০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ, ১টি কুমিরের বাচ্চা জব্দ করা হয়েছে। এই চক্রের মূল হোতা একজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে তার নাম জানাননি ওসি।

Wednesday, Sep 20 2017

 

 

 

ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। তাকে কৃত্রিমভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। এটাও তার চিকিৎসার অংশ। আনিসুল হকের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু মানবজমিনকে জানান, মস্তিষ্কের রক্তনালীর প্রদাহ মারাত্মক। তাই ঘুম পাড়িয়ে এ চিকিৎসা দিতে হয়। এর কোনো বিকল্প নেই। গেল সপ্তাহে হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম মেয়রের শরীরের বিভিন্ন অংশে মেডিকেল যন্ত্রাংশ এবং নাকে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো। তিনি এপাশ-ওপাশ করতে পারেন। কিন্তু শরীরে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট নানান যন্ত্রাংশের সংযোগের কারণে দিক পরিবর্তন বা পাশ ফিরতে পারছেন না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আপনজন ছাড়া আনিসুল হকের সঙ্গে কেউ দেখা করতে পারছেন না। আনিসুলের ব্যবসায়ী বন্ধু জানান, যতটুকু জেনেছি তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক। তবে মাঝে মধ্যে ঘন ঘন শ্বাস নিতে দেখেছি। এর আগে গত ১৩ই আগস্ট মস্তিষ্কের রক্তনালীতে প্রদাহ নিয়ে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন আনিসুল হক। এরপর থেকে তার সঙ্গে দর্শনার্থীদের সাক্ষাৎ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কেবলমাত্র তালিকাভুক্ত ঘনিষ্ঠজন ছাড়া আর কারো সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। আনিসুল হকের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে থাকাকালীনই তিনি প্রথমবার এ রোগে আক্রান্ত হন। কিন্তু তখন রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এরপর পারিবারিক কাজে গত ২৮শে জুলাই লন্ডনে যাওয়ার পর আবারো অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মস্তিষ্কের রক্তনালীতে প্রদাহ ধরা পড়ে। সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আনিসুল হক যে সমস্যায় ভুগছেন এর চিকিৎসা একটু দীর্ঘমেয়াদি। তার পুরো সুস্থ হতে আরো সময় লাগবে।

Page 23 of 26

যারা অনলাইনে আছেন

We have 323 guests and 44 members online

  • catchtremcontgreecir
  • rungpawelcheko
  • imicoprepa
  • spinelisrase
  • molliginspasdutab
  • pordialicesskanal
  • prodrobirewaspser
  • sycamohuntfracet
  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • kandicefinch32896
  • 5fyp0dcb9ay612
  • hw7fdvgi95ibkfg
  • 05jdev52mec755
  • udlhllufo2t3ryf
  • p6t8t7g1e0ckp5h
  • uzdutx02d
  • nm03ko5g0pjjn6
  • z4t9p552dgj
  • cb5tph7bxueoeh
  • cqs93bsarc8o5hi
  • rczkjm5mtu2bf7y
  • yvq35de4rjvqd2n
  • 362h3s15q1

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %