Monday, Sep 25 2017
 

 

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এখন পর্যন্ত অনুপ্রবেশকারী। তবে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় যদি দেখা যায় বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদি, তখন তাদের শরণার্থী ভাবার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল। আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এসব তথ্য জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে আসার পর বাংলাদেশে যেসব রোহিঙ্গা শিশু জন্ম নিচ্ছে তাদের শুধু জন্মনিবন্ধন করা হচ্ছে। সেখানে লেখা হচ্ছে, তারা মিয়ানমারের নাগরিক। অন্যদিকে, সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউনএনএইচসিআরের হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি সাক্ষাৎ শেষে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অস্থায়ীভাবে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন হয়ে গেলে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তা তৈরির জন্য ইউএনএইচসিআর ৩৫ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে এই টাকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। রাস্তা তৈরির কাজ করবে সেনাবাহিনী।

Monday, Sep 25 2017

 

 

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোহিঙ্গা নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

রোববার রাতে কক্সবাজারের উখিয়ার শরণার্থী শিবির থেকে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এএসআ ই) মোহাম্মদ জহির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত নারীদের একজনের বয়স ৫০ ও অন্যজনের ৬০ বছর।

এ সময় সাপের কামড় খাওয়া এক বৃদ্ধকেও কুতুপালং শরণার্থী শিবির থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান ক্যাম্প ইনচার্জ।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্ট ও সেনাক্যাম্পে হামলার অভিযোগ এনে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা, নির্যাতন ও বিতাড়ন শুরু করে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী এবং বৌদ্ধ মিলিশিয়ারা। এরপর বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঢল নামে। শরণার্থীর সংখ্যা এরই মধ্যে ৪ লাখ ছাড়িয়েছে।

Monday, Sep 25 2017

 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে।

Monday, Sep 25 2017
 

 

এবার বাড়ছে আটার দাম। প্যাকেটজাত আটা কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

Monday, Sep 25 2017
 

 

উখিয়ার পুঠিবুনিয়া সীমান্ত। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোহিঙ্গারা আসছিলেন দল বেঁধে। শনিবার রাত থেকেই তারা নাফ নদ পার হচ্ছিলেন। সকাল পর্যন্ত চলছিল তা। আগের রাত থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত ওই এক সীমান্ত পয়েন্ট দিয়েই অন্তত ১০ সহস্রাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে বলে জানান তারা। আরো অন্তত ৫০ হাজার রোহিঙ্গা ওপারে জড়ো হয়েছে। তারাও নৌকায় পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তাদের প্রায় অধিকাংশই বুথেডংয়ের বাসিন্দা। বুথেডং ও রাথেডং টাউনশিপের লোকজনই বেশি। প্রথম দিকে শহরতলি ও কাছের অনেক গ্রামের বাসিন্দাদের সরতে দেয়নি মিয়ানমার সেনা সদস্যরা। শেষে তারাও রক্ষা পায়নি। গত এক দেড় সপ্তাহ আগের নৃশংসতায় তারা গ্রাম ছেড়েছে বলে জানালেন।   
এমনই একটি জনপদ রাখাইন রাজ্যের বুথেডং টাউনশিপের খিয়াম্বু লামার পাড়া। এ রোহিঙ্গা পল্লীটির পাশে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বোহা ক্যাম্প। গত ২৫শে আগস্ট নৃশংসতা শুরুর ২২ দিনেও তার ছোঁয়া লাগেনি গ্রামটিতে। অক্ষত ছিল  ঘরবাড়ি। সেনা সদস্যরাও নিরীহ গ্রামবাসীকে সান্ত্বনা দিয়ে আটকে রাখে। তার আড়ালেই চলছিল সবাইকে একসঙ্গে শেষ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র। গ্রামবাসী তা বুঝতেই দুজনকে বলি হতে হলো। হত্যা করা হয় আবুল কালাম (৫০) ও কানাবদিয়াকে (৪০)। এ ঘটনা ১৬ই সেপ্টেম্বরের। পরদিন সেনা সদস্যরা তল্লাশির নামে গ্রামবাসীর মাধ্যমে ঘরের ভেতর মাটি খুঁড়ায়। সেখানে নিজেরাই গুলি ও গুলির খোসা রেখে দেয়। এরপর জঙ্গি তৎপরতার প্রমাণ হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করে গ্রামবাসীকে। কয়েকজন গ্রামবাসীকে নিয়ে ছবি করে মিথ্যা প্রমাণ সাজায়। এমন ফাঁদ পাতার পর অবশেষে গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রাতেই সেনা সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে গ্রাম ছাড়ে আড়াই হাজার মানুষ।
যাত্রা পথে তারা আরো কয়েকটি গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিশে যান। পথে মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে দল ভারি করেন। এর মধ্যে রয়েছে গোপী, চওপ্রাং, প্রাংচি, বৈদ্যপাড়া, বাদানাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজন। ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে তাদের দলের লোক সংখ্যা। রোববার তারা মিয়ানমার সীমান্তে পৌঁছে। নৌকায় নাফ নদী পার হয়। পুঠিবুনিয়া দিয়ে এদেশে ঢুকে। পুঠিবুনিয়া সীমান্তে গতকাল এ দলের বেশ কয়েকজন এভাবে মৃত্যুর ফাঁদ থেকে বেঁচে আসার কথা জানান।
পরিবার নিয়ে সে দলে রয়েছেন বুথেডং টাউনশিপের খিয়াম্বু লামার পাড়ার রোহিঙ্গা যুবক রফিক, মৌলানা তৈয়ব, মোহাম্মদ ছলিম ও মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা হাফেজ ইউনুচ। তারা বলেন, গত ২৫শে আগস্ট থেকে বিভিন্ন জায়গায় মিয়ানমার সেনা ও রাখাইন বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জবাই ও গুলি করে মারতে শুরু করে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। তার কিছু কিছু খবর আসছিল। এ অবস্থায় মিয়ানমার সেনা সদস্যরা মিটিং ডেকে আমাদের বলে যে, ‘তোমরা আমাদের কৃষক। আমাদের কাছের মানুষ। আমাদের সঙ্গে থাক। তোমরা আমাদের সঙ্গে ভালোভাবে থাকলে আমরাও তোমাদের সঙ্গে ভালোভাবে থাকবো। কারও কোনো ক্ষতি হবে না। তোমরা কেউ পাড়ার বাইরে যাবে না। এখানেই থাকবে।’ তারা এই কথা বলার পর আমরা এক প্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ি। ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বাজারে যেতে পারছি না। ঘরে খাবারও শেষ হয়ে গেছে। দু’সপ্তাহে জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ১৬ই সেপ্টেম্বর সকালে গরু চরাতে গেলে বন্দুকের নলের মুখে আবুল কালাম ও কানাবদিয়াকে  ডেকে নেয়। তারপর তাদের স্থানীয় কিয়াংয়ের চত্বরে নিয়ে জবাই করে হত্যা করে। লাশ পাশের পাহাড়ি ঝিরির পাশে একটির উপর অপরটি রেখে মাটি চাপা দেয়। পরে গিয়ে সেই লাশের ছবি তুলে আনি। এই প্রতিবেদককে মোবাইলে সেই ছবি দেখান তাদের একজন। এ অবস্থায় গত ১৬ই আগস্ট রাতের আঁধারে ২০টি পরিবার গ্রাম ছাড়ে। এ খবর পেয়ে যায় বর্মী সেনা সদস্যরা। পরদিন ১১০ জন বর্মী সেনা সদস্য এসে গ্রামবাসীদের দিয়ে কয়েকটি খালি ঘরে খনন করায়। এরপর একটি ঘরে খুঁড়া গর্তে তারা নিজেদের ব্যবহৃত কিছু গুলির খোসা রেখে দিয়ে ছবি করে। আর গ্রামবাসীকে বলে তোমরা জঙ্গিদের সহায়তা করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এরপর কাউকে এলাকা না ছাড়ার জন্য কড়া নির্দেশ দেয়। তারা বলেন, পরদিন ১৮ই সেপ্টেম্বর আমাদের গ্রামে নির্বিচারে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা বুঝতে পারি। রাখাইনের আরো বিভিন্ন রোহিঙ্গা গ্রামেও তারা একই কৌশলে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দোষী সাব্যস্ত করে গণহত্যা চালায়। তাই আমরা ওই রাতে গ্রাম ছাড়ি। আমাদের গ্রামে ৪০৪ ঘরে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ। ২০ ঘর আগেই গ্রাম ছেড়েছিল। বাকি দুই সহস্রাধিক মানুষ ওই রাতে গ্রাম ছাড়ি।
তারা আরো বলেন, রাতেই আমরা সারেকুণ্ডায় আসি। সেখানে কিছু ঘর পোড়া ও কিছু পোড়া হয়নি। খালী ঘরগুলোতে ওই রাত কাটাই। পরদিন ১৮ই সেপ্টেম্বর সকালে বৈদ্যপাড়ায় যাই। সেখানে মসজিদে পাঁচজনের ক্ষতবিক্ষত লাশ চোখে পড়ে। পরদিন ১৯শে সেপ্টেম্বর আমরা চঁ’চরে আসি। ততক্ষণে আমাদের দলের লোক ৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ৯জন সেনা সদস্য সেখানে অস্ত্রের মুখে আমাদের স্বর্ণ, টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোন লুট করে। ছেনোয়ারা নামে পনের বছর বয়সের এক মেয়ের সর্বাঙ্গ হাতিয়েছে। তখন আমরা দীর্ঘ সারি দাঁড়িয়ে পড়ে দলভারি করে এক সঙ্গে কয়েক হাজার মানুষ সামনে আগালে তারা পথ ছেড়ে দেয়। সেদিন আমরা বুদাইসং পৌঁছি। ঝড়-বৃষ্টিতে পড়ি। ততক্ষণে আমাদের দলে লোক সংখ্যা ৮ হাজার। সেখানে দু’রাত কাটাই। তারপর ২১শে সেপ্টেম্বর রাতে রওয়ানা দিই। আসি মংডুর ডিয়লতলীতে। মধ্যরাতে পৌঁছার পর সেখানে রাত কাটাই। সেখানে আমরা আমাদের অন্তত দ্বিগুণ লোকের সঙ্গে জড়ো হই। এরপর গত ২২শে সেপ্টেম্বর পৌঁছি বর্ডারের কাছে। সেখানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ একত্রিত হয়েছে। কিন্তু কয়েকটি ঘাটে নৌকা ৪০টির বেশি নয়। তাই জটলা বাড়ছে। পরদিন ২৩শে সেপ্টেম্বর রাত থেকে নৌকা পার হতে শুরু করি।
সেই দলের একজন আব্দুস ছফুর। প্যারালাইজড আক্রান্ত স্ত্রী আয়েশা খাতুনকে পিঠে বেঁধে নিয়ে পথ চলছিলেন। কয়েকদিনের উপস ছফুর একটু জোর পাওয়ার জন্য লাঠি ধরে চলছিলেন। আবার সেই লাঠি ধরে হাঁটছে তার মেয়ে সুপাইরাও (১০)। বড় ছেলে আবদুল্লাহর (১৩) কোলে দু’বছরের বোন জান্নাত। একে অপরের হাত ধরে হাঁটছে আজিদা (৫) ও আবদুর রহমান (৫)। বাবা-মা’র সঙ্গে তাদের মধ্যেও স্বস্তি এসেছে এপারে পার হওয়ার পর।
ছফুর বলেন, পাড়ায় আমার শ্বশুর আলী হোসেনসহ দু’জনকে জবাই করে দেয়ার পর আমরা জীবন বাঁচাতে ঘর ছেড়েছি।

Sunday, Sep 24 2017

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে বহুজাতিক কোম্পানির কর্মী রূপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার এক মাস পূর্ণ হলো। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেবে পুলিশ।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মাহবুব আলম এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কাইয়ুম খান সিদ্দিকী রোববার প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রূপা খাতুনকে চলন্ত বাসে পরিবহনশ্রমিকেরা ধর্ষণ করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ওই রাতেই তাঁর লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা করে।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুপুরের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, ময়নাতদন্তের সময় সংরক্ষিত রূপার দাঁত ও পরিধেয় বস্ত্র আদালতের অনুমতি নিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর প্রতিবেদন আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে। এদিকে মামলার তদন্তও শেষ পর্যায়ে। এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ছোঁয়া পরিবহনের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯) এবং চালক হাবিবুর (৪৫) ও সুপারভাইজার সফর আলীর (৫৫) বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন, হত্যা, গণধর্ষণের অভিযোগ আনা হচ্ছে অভিযোগপত্রে। অভিযোগপত্রে ২০ থেকে ২২ জনকে সাক্ষী করা হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ, চিকিৎসকসহ পাঁচ-ছয়জন সরকারি কর্মকর্তা থাকছেন।
রূপাকে হত্যার পর ময়মনসিংহ-বগুড়া রুটে চলাচলকারী ছোঁয়া পরিবহনের শ্রমিকেরা স্বাভাবিক ছিলেন। ঘটনার পরদিন থেকেই তাঁরা স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। রূপার ভাই ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় এসে লাশের ছবি দেখে রূপাকে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ হাবিবুর, সফর আলী, শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের কাছে তাঁরা রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁরা সবাই এখন টাঙ্গাইল কারাগারে আছেন। ৩১ আগস্ট রূপার লাশ উত্তোলন করে তাঁর ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাঁকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নিজ গ্রাম আসানবাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।
১২ সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাইফুর রহমান খান ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, মাথায় আঘাতের কারণে রূপার মৃত্যু হয় এবং মৃত্যুর আগে রূপাকে ধর্ষণ করা হয়।
রোববার বিকেলে মুঠোফোনে রূপার ভাই হাফিজুল ইসলাম জানান, তদন্তকাজ দ্রুত হচ্ছে এ জন্য তিনি সন্তুষ্ট। একইভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

 

Page 19 of 26

যারা অনলাইনে আছেন

We have 385 guests and 47 members online

  • gretjecsiobarbio
  • zanmawindfite
  • windmejibinnu
  • utjuiphodifse
  • faturibfathe
  • ionivynic
  • lawannakeister434
  • riksriphocrerumar
  • presfimemedreta
  • alanwaterman0117540
  • basteofimasice
  • rivilipciaconte
  • mohammedpowell6
  • keeshapape009317894
  • vqysteve964495055
  • kelleya28686496
  • melaniecasper014440
  • jocelyngregson208
  • alphonsoflaherty941
  • michelllyne22111692
  • 9ao91lonfhzlzke
  • d4nuwseqsqrdusm
  • s1dowcdzqhdf
  • htrjov5ed0880
  • m3gy04k7gbwyzl
  • m17dch4agcbwht
  • swm6bb1inrlyi2k
  • 14foqcwct3s37f
  • 8254tocoaiccoi

Subscribe to our newsletter

ইভেন্ট

ছবি ও ভিডিও

Style Setting

Fonts

Layouts

Direction

Template Widths

px  %

px  %